Saturday, 28 August 2010

Bangla poem of Razia Sultana Sonia


  E-mail : sonia.chdsr@yahoo.com
অদূশ্য স্বপ্ন
স্বপ্নটা যখন একটা জ্বলন্ত
শিখাকে উৎসর্গ করে,
তখন তো তার ছোয়া লাগবেই
সত্যি!
এক দুঃসাহসিক আত্নপ্রত্যয়
আর এই সাহসিকতার ইন্দ্রজালে
রূদ্ধ প্রেমটাকে তোমার জন্যই
উৎসর্গ করেছিলাম
তুমি বোঝ নি, তুমি জানো নি
হয়তো আর কখনো জানবেও না
আমি জানতাম,
স্বপ্ন!
সেতো শুধু স্বপ্ন
আর শিখার সংষ্পর্শ?
সেতো স্বপ্ন ভঙ্গের অনৱরায়
তবুও স্বপ্ন!
আলোক প্রভায়
আমি জানতাম,
তুমি স্বপ্ন,
তুমি অলীক ,
তুমি কাল্পনিক,
কারণ তুমি,
প্রবাহের স্রোতে ভেসে আসা এক সুর
হতে পার তুমি চন্দ্র তারা
কিংবা কারো ছন্দের আভা
হয়তোবা কারো গতিময়তা
কিন্তু
তুমি স্বকীয়ার আবেসে রূদ্ধ]
বদ্ধ দুয়ারে তাই,
আমার স্বপ্ন মায়া কড়াঘাত করেনি
জীবনটা ধ্বনিত বেগের মত চলমান
কখনো হয়তো থেমে থাকে নি,
হয়তো থাকবে না
তবুও এক নিতর, নিঃশব্দ চাঁদনী রাতে
হয়তো তুমি আবার স্বপ্নে ধরা দেবে
হয়তো এটা আমার এক
দুঃসাহসিক বেদনা।।


কিছু স্মৃতি
কিছু স্মৃতির পটভূমি,
হ্নদয়ে উগ্র চেতনাকে যখন
তীব্র আক্রোশে হাতছানি দেয়,
তখন,
সমসৱ সুখ আমার কাছে
মনে হয় যেন বেলাভূমি
কিছু স্মৃতির কথা,
সুপ্ত বাসনাকে সর্ঙ্গে নিয়ে যখন
আঘাত পদদলিত করে চলমান
তখন,
সমসৱ স্বপ্নœ আমার কাছে
হ্নদয়ে সৃষ্ট এক অসহ্য ব্যাথা
কিছু পড়নৱ বিকেল,
সাতটি রঙ্গের আভার নিচে যখন
তুমি আর আমি লীলাময়ী
তখন,
সমস্ত দুঃখ যেন আমার কাছে
এক প্রথম সকাল
কিছু সৃষ্ট চেতনা,
সুরের মোহে যখন দুটি পথ
দুদিকে চলমান
তখন,
সমসৱ আশা যেন ভেঙে চূড়ে
গড়ে দেয় এক কষ্টের আল্পনা
কিছু দৃষ্টি বিনিময় ,
সমসৱ পৃথিবী যখন
একটি বিন্দুতে দণ্ডায়মান
তখন,
আলোর এক অন্ধকার আভা
হ্নদয়কে কেও সুখালয়
তবুও
কিছু কঠিন বাসৱব
সামনে যখন প্রাচীর স্বরূপ
তখনতো
দুটি হ্নদয় পথ হারাতে প্রস্তুত

জানা-অজানা
বৃষ্টির ফোটার মত
জীবন থেকে সমসৱ সুখ কবে যে
পাতালে মিশেছিল জানি না
ঝরা ফুলের মত
জীবন থেকে সমসৱ পাপড়ি কবে যে
কে হরণ করেছিল জানি না

ছেড়া পাতার মত
নিজ গৃহে পতিত থেকে কবে যে
সৌন্দর্য টুকু হারিয়েছিলাম জানি না
খালি কলমের মত
প্রয়োজন শেষে কবে যে কে
ডাস্টবিনে ফেলেদিয়েছিল জানি না
জীবনের সবটুকু হারিয়ে যখন
ধ্বনিত বেগের মত চলমান
হঠাৎ
কেন যেন মনে হলো
আমি জানি, আমি জানি
তুমি আমার আশার আলো


অভিসারী জীবনসঙ্গী
একাকি স্নিগ্ধ গোধূলী লগনে
বসে আছি এক মোহনার তীরে,
তরঙ্গের খেলা আর বহমান প্রবাহ
মনে হয় যেন আনন্দের প্রচুর্য
এমনি এক প্রকৃতি লীলায়
সূর্য যখন অস্ত যায়,
পশ্চিম আকাশে বিদায়ের ধ্বনি বাজিয়ে
চারদিকে মেঘকে দূরে সরিয়ে
আকাশটা রক্তে রঞ্জিত করে
মনে পরে সেই সুর সেই ধ্বনি
আমার অভীসারী জীবনসঙ্গীনী
আমি তো তোমায় ভুলি নি
আজ তুমি কই?
তোমারে খুজিতে বের হয়েছি তাই
তুমি কোথায় আমার জীবনসঙ্গী

Monday, 23 August 2010

Bangla Translation of Sura & Doa of Namaz (Namaz Shikkha) doc


***বাংলা নামাজ শিক্ষা***
***মোঃ ফজলুল হক****
***নামাজ পড়িবার নিয়ম নিচে ক্রমানুসারে বর্ণনা করা হল।***
১. গোসল বা ওজু বা তায়াম্মুম করে পাক-পবিত্র হবেন।
২. সাংসারিক চিন্তা-ভাবনা ভুলে একমাত্র প্রতিপালক আল্লাহ দিকে মনোনিবেশ করে কেবলামুখী (পশ্চিমমুখী) হয়ে দাড়াবেন। এরপর চুপে চুপে এই দোয়াটি পাঠ করিবেন (ইন্নি ওয়াজ্জাহতু ওয়াজ হিয়া লিল্লাযী ফাতারাস সামাওয়াতি ওয়াল আরদা হানিফাওঁ ওয়ামা আনা মিনাল মুশরিকিন)।
৩. নামাজের নিয়ত করিবেন (নিয়তসমূহ নিচে দেওয়া হয়েছে)
৪. আল্লাহ আকবার- বলে উভয় হাতের বৃদ্ধাঙ্গুল দিয়ে কান স্পর্শ করে হাত বাঁধবেন। হাত বাঁধার জন্য বাম হাতের উপর ডান হাত রেখে, ডান হাতের কনিষ্ঠ বৃদ্ধাঙ্গুল দ্বারা বাম হাতের কব্‌জি ধরবে এবং ডান হাতের বাকি তিনটি আঙ্গুল বাম হাতের উপর প্রসারিত থাকবে।
৫. এবার চুপে চুপে সানা (সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়াবিহাম-দিকা ওয়াতাবারাকাসমুকা ওয়াতাআলা জাদ্দুকা ওয়া লা ইলাহা গাইরুকা) পাঠ করবেন।
৬. আউ’জু বিল্লাহি মিনাস শয়তানির রাযিম। বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম- পাঠ করিবেন। এরপর সূরা ফাতেহা পাঠ করবেন। সূরা ফাতেহা নিচে দেওয়া হয়েছে।
৭. এবার অন্য একটি সূরা পাঠ করবেন। তবে যদি ইমামের পিছনে নামাজ পরেন তাহলে চুপ করে থাকবেন। সূরাসমূহ নিচে দেওয়া হয়েছে।
৮. আল্লাহ আকবার বলে রুকুতে যাবেন। রুকুর সময় দু হাত হাঁটুর উপর এমনভাবে রাখবেন যেন গিরার উপর ভর পরে। মাথা, ঘাড় পিঠ এক বরাবর থাকবে। রুকুতে থাকা অবস্থায় তিন বার অথবা তার চেয়ে বেশি সংখ্যক বেজোর বার রুকুর তাসবীহ অর্থাৎ সূবাহানা রাব্বিয়াল আযীম- এই দোয়া পাঠ করবেন। রুকুর তাসবীহ পাঠ শেষে সোজা হয়ে দাড়াবেন।
৯. রুকুর তাসবীহ পাঠ শেষে সোজা হয়ে দাড়াবেন এবং সামি আল্লাহুলিমান হামিদা এবং রাব্বানা লাকাদ হামদ্‌- বলবেন। তবে ইমামের পিছনে নামাজ পড়লে ইমাম প্রথমে- সামি আল্লাহুলিমান হামিদা- বলবেন, এরপর আপনি শুধু -রাব্বানালাকাদ হামদ্‌- বলবেন।
১০. এবার আল্লাহ আকবার বলে সিজাদায় যাবেন। সিজদার সময় কপাল, নাক, দুই হাত, হাঁটু দুই পা মাটির স্থিরভাবে লেগে থাকবে। সিজদায় থাকা অবস্থায় তিন বার বা তার চেয়ে বেশি সংখ্যক বেজোর বার সিজদার তাসবীহ অর্থাৎ ূবাহানারাব্বিয়াল আলা- এই দোয়া পাঠ করবেন। এরপর সিজদা থেকে উঠে সোজা হয়ে বসবেন। এরপর আবার সিজদায় যাবেন এবং পূর্বের ন্যায় সিজদার তাসবীহ পাঠ করবেন। দ্বিতীয় সিজদা শেষ হলে সোজা হয়ে দাড়াবেন।
১১. এবার প্রথম রাকাতের নিয়মে সূরা ফাতেহা তার সাথে অন্য সূরা (ইমামের পিছনে হলে চুপ থাকবেন) পাঠ করবেন। এরপর রুকু সিজদা শেষ হলে বসুন এবং তাশাহুদ পাঠ করুন। এরপর নামাজ যদি দুই রাকাতের হয় তবে দরুদ দোয়া মাসুরা পাঠ করুন। আর নামাজ যদি তিন বা চার রাকাতের হয় তবে শুধু তাশাহুদ পাঠ শেষে উঠে দাড়ান এবং বাকি নামাজ শেষ করুন। এক্ষেত্রে সুন্নত নামাজ হলে বাকি রাকাতসমূহ পূর্বের ন্যায় শেষ করতে হবে। আর যদি ফরজ নামাজ হয় তাহলে শুধু সূরা ফাতেহা পাঠ করতে হবে অর্থাৎ বাকি রাকাতে সূরা ফাতেহার সাথে অন্য কোনো সূরা পাঠ করতে হবে না। শেষ রাকাতে সিজদা শেষে বসে যথাক্রমে তাশাহুদ, দরুদ দোয়া মাসুরা পাঠ করুন। তাশাহুদ, দরুদ দোয়া মাসুরা নিচে দেওয়া হয়েছে।
১২. শেষ রাকাতে দোয়া মাসুরা পাঠ শেষ হলে প্রথমে ডান দিকে মাথা ঘুরিয়ে সালাম ফিরান অর্থাৎ বলুন - আচ্ছালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। এরপর বাম দিকে মাথা ঘুরিয়ে বলুন - আচ্ছালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। এভাবে নামাজ শেষ করুন।
***নামাজের নিয়ত***
***দুই রাক-আত ফজরের ফরজ নামাজের নিয়ত:
নাওয়াইতু আন উছাল্লিয়া লিল্লাহি তা-আলা রাক-আতাই ছালাতিল ফাজরি ফারদুল্লাহি তা-আলা মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কা-বাতিশ্‌ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।
***তিন রাক-আত মাগরিবের ফরজ নামাজের নিয়ত:
নাওয়াইতু আন উছাল্লিয়া লিল্লাহি তা-আলা সালাসা রাকাতি ছালাতিল মাগরিবি ফারদুল্লাহি তা-আলা মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কা-বাতিশ্‌ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।
***চার রাক-আত ফরজ নামাজের নিয়ত:
নাওয়াইতু আন উছাল্লিয়া লিল্লাহি তা-আলা আরবায়া রাক-আতাই ছালাতিয্‌ যোহ্‌রে (যোহরের নামাজের)/ ছালাতিল আছরে (আছরের নামাজের)/ ছালাতিল এশায়ে (এশার নামাজের) ফারদুল্লাহি তা-আলা মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কা-বাতিশ্‌ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।
***দুই রাক-আত সুন্নত নামাজের নিয়ত:
নাওয়াইতু আন উছাল্লিয়া লিল্লাহি তা-আলা রাক-আতাই ছালাতিল ফাজরি (ফজরের নামাজের)/ ছালাতিয্‌ যোহ্‌রে (যোহরের নামাজের)/ ছালাতিল মাগরিবি (মাগরিবের নামাজের)/ ছালাতিল এশায়ে (এশার নামাজের)/ সালাতিদ দুখুলিল মসজিদে (জুম্মার দুখুলিল মসজিদ নামাজের)/ ছালাতিল ওয়াক্তে (জুম্মার ছালাতিল ওয়াক্তে নামাজের) সুন্নাতু রাসুলিল্লাহি তা-আলা মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কা-বাতিশ্‌ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।
***চার রাক-আত সুন্নত নামাজের নিয়ত:
নাওয়াইতু আন উছাল্লিয়া লিল্লাহি তা-আলা আরবায়া রাক-আতাই ছালাতিয্‌ যোহ্‌রে (যোহরের নামাজের)/ ছালাতিল আছরে (আছরের নামাজের)/ ছালাতিল এশায়ে (এশার নামাজের) সুন্নাতু রাসুলিল্লাহি তা-আলা মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কা-বাতিশ্‌ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।
***দুই রাক-আত নফল নামাজের নিয়ত:
নাওয়াইতু আন উছাল্লিয়া লিল্লাহি তা-আলা রাক-আতাই ছালাতিন নাফলি মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কা-বাতিশ্‌ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।
***তিন রাক-আত বেতর নামাজের নিয়ত:
নাওয়াইতু আন উছাল্লিয়া লিল্লাহি তা-আলা ছালাছা রাক-আতাই ছালাতিল বিতরি ওয়াজিবুল্লাহি তা-আলা মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কা-বাতিশ্‌ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।
***দুই রাক-আত জুম্মার ফরজ নামাজের নিয়ত:
নাওয়াইতু আন উছকিতা আন জিম্মাতি ফারদুজ জুহরি বে-আদায়ি রাক-আতাই ছালাতিল জুমুআতি ফারদুল্লাহি তা-আলা মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কা-বাতিশ্‌ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।

***সূরা ফাতেহা:
আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন। আররাহমানির রাহীম। মালিকি ইয়াও -মিদ্দীন। ইয়্যাকা নাবুদু ওয়া ইয়্যাকানাছ্‌তাঈন। ইহ্‌দিনাচ্ছিরাতাল মুছ্‌তাক্বীম। সিরাতাল্লাযীনা আনআমতা আলাইহিম। গাইরিল মাগদূবি আলাইহিম ওয়ালাদ্বাল্লিন। (আমিন)
***সূরা ফীল:
আলাম তারা কাইফা ফায়ালা রাব্বুকা বি আসহাবিল ফিল। আলাম ইয়াজ আল কাইদাহুম ফি তাদলিলিও। ওয়া আরছালা আলাইমি ত্বাইরান আবাবিল। তারমিহিম বিহিজারাতিম মিন্‌সিজ্জিলিন। ফাজাআলাহুম কাছফিম্মাকুল।
***সূরা মাউন:
আরাআই তাল্লাজী ইউকাজ্জিবু বিদ্দিন। ফাজালি কাল্লাযী ইয়াদউল ইয়াতিম। ওয়ালা ইয়া হুদ্দু আলা-ত্বাআমিল মিছকিন। ফাওয়াই লুল্লিল মুছাল্লিনা। আল্লাযীনা হুম আনছালাতি হিম সাহুন। আল্লাযীনা হুম ইউরাউনা। ওয়া ইয়াম নাউনাল মাউন।
***সূরা কাওছার:
ইন্না ত্বাইনা কাল কাওছার। ফাছল্লি লি রাব্বিকা ওয়ানহার। ইন্না শা-নিয়াকা হুওয়াল আবতার।
***সূরা ইখলাছ:
ক্কুলহু আল্লাহু আহাদ। আল্লাহু-চ্ছামাদ। লামইয়ালিদ। ওয়ালাম ইউলাদ। ওয়ালাম ইয়াকুল্লাহু কুফুয়ান আহাদ।
***সূরা ফালাক্ব:
ক্কুল আউযু বিরাব্বিল ফালাক্বি। মিনশাররি মা খালাক্বা। ওয়ামিন্‌শাররি গাছিক্বিন ইজা ওয়াক্বাব। ওয়া মিন্‌শার্‌রিন্না-ফাছাতি ফিল উকাদি। ওয়া মিন্‌শার্‌রি হাসিদিন ইজা হাসাদ।
***সূরা নাস:
ক্কুল আউজু বিরাব্বিন্নাস। মালিকিন্নাস। ইলা-হিন্নাস। মিন্‌শার্‌রিল ওয়াছ-ওয়াছিল খান্নাস। আল্লাযী ইউওয়াছবিছু ফিছুদুরিন্নাস। মিনাল জিন্নাতি ওয়ান্নাস।
***তাশাহুদ:
আত্তাহিয়্যাতু লিল্লাহি ওয়াচ্ছালা ওয়াতু ওয়াত্তাইয়্যিবাতু, আচ্ছালামু আলাইকা আয়্যুহান্নাবিই ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। আচ্ছালামু আলাইনা ওয়া আলা ইবাদিল্লাহিস সলিহীন, আশহাদু আল্‌লা-ইলাহা ইল্লাল্‌লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসূলুহু।
***দরুদ:
আল্লাহুম্মা সল্লি আলা মুহাম্মাদিও ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদিন কামা সল্লাইতা আলা ইব্রাহিমা ওয়া লা আলি ইব্রাহীমা ইন্নাকা হামিদুম মাজিদ। আল্লাহুম্মা বারিক লা মুহাম্মাদিওঁ ওয়া লা আলি মুহাম্মাদিন কামা বারাকতা আলা ইব্রাহীমা ওয়া লা আলি ইব্রাহীমা ইন্নাকা হামিদুম মজিদ।
***দোয়া মাসূরা:
আল্লাহুম্মা ইন্নি জালামতু নাফসী যুলমান কাছীরাওঁ ওয়ালা ইয়াগফিরুয যুনুবা ইল্লা আনতা, ফাগফিরলী মাগফিরাতাম মিন ইনদাকা ওয়ারহামনী ইন্নাকা আনতাল গাফুরুও রাহীম।

Pageviews last month