Saturday, 18 December 2010

রাজিয়া সুলতানার নতুন কবিতা (প্রথম বিকেল এবং বালুচর)

প্রথম বিকেল

পড়ন্ত বিকেল
সূর্যটা যখন রক্তিম আভায় আচ্ছন্ন
পাখি গুলো নীরে ফিরতে বিঘ্ন
তখন হৃদয়ে আমার উঠে সোনালী সকাল।

আমার স্নিগ্ধ অনুভূতি
চিত্তে সারা জাগানো শীতল শিহরণ
আর একাকার হয়ে যাওয়া সকল স্বপন
আমায় এনে দেয় এক ছায়াবীথি

তোমার চোখে দৃষ্টি রেখে
আধার ঢেকে রাখে সকল অক্ষিপট
চঞ্চলতায় ভরে উঠে পথঘাট
আমি ভেসে যাই এক নিদারুন সুখে।


 

বালুচর

এক বিনীদ্র রজনী
সমস্ত মহাবিশ্বের হাতছানিতে
আমি যেন জেগে থাকা এক রাতের আধার।

এক অদৃশ্য স্বপ্ন ছোয়া
হৃদয়ের সব শিহরণ নিয়ে পারি দেয়
দূর এক অজানা পাথারে।

এক অদূরের মহাকাশ
দৃষ্টি নিয়ে তাকিয়ে আছি আপন মায়ায়
ভাবছি , সে কি আসবে আবার ?
এমন এক নিশিরাতে
তোমার স্মৃতি আমায় আচ্ছন্ন করে রেখেছে
তুমি কি রাখ তার খবর ?

আমি জানি !
তুমি সে ঠিকানা অনেক আগেই ভুলে গেছ
কি ভাবে দিবে এক স্বপ্নিল তীর?

সিক্ত নয়নে
যেদিন তোমার নামটি অকপটে বলেছিলাম
সেদিন বুঝেছিলাম তুমি অনির্বার।

জীবনের সব সুখের মাঝে
তোমাকে চেয়েছিলাম খুব আপন করে
কিন্তু !
তুমি দূর আকাশে
জেগে থাকা এক সন্ধ্যাতারা ।

তাই  স্বপ্ন আমার কাছে আজ
এক স্পর্শকাতর বালুচর।



Friday, 24 September 2010

Bangla poem of Razia Sultana Sonia (New-1)

                                                      E-mail : sonia.chdsr@yahoo.com

স্পর্শ
আমি সুখের দিন গুলোতে
তোমায় কাছে পাই নি,
জীবন যখন হারানো সুখে আসক্ত
তখনও তোমার স্পর্শ পাই নি।
আমি স্বপ্ন দেখেছি
আমি ভেবেছি
তোমার বুকে মাথা রেখে
দীর্ঘঃশ্বাস ছেড়েছি
তবুও তোমার স্পর্শ  পাই নি।
আমি দিগন্ত পথে একা চলেছি
সাতটি রঙের পরশ পেয়েছি
আমি  আগুন ঝরা বর্ষা দেখেছি
বৃষ্টি ফোটার পরশ পেয়েছি
কিন্তু তোমার স্পর্শ পাই নি।
তুমি আমায় ভাবতে শেখালে
পৃথিবীকে ভালোবাসতে শেখালে
শিখিয়ে সবি কেন আজ আমি
তোমার স্নিগ্ধ স্পর্শ পাই নি।
তোমার স্নিগ্ধ পরশ পেতে
স্বপ্ন দেখি বিভাবরীতে
বল কবে যাব তোমার পানে
সকল বাধার দুয়ার টেনে।।
কল্পমায়ার রূপ
তিমির শশী উঠে শূন্যে
চেয়ে দেখি তাই মূগ্ধ নয়নে,
স্মৃতির পটে হাত ছানি দেয়
রয়েছি আমি সেই অরন্যের।
পাবন স্রোতের হিমহিম নেশা
বিভাবরীতে কাটাই দিশা,
চন্দিমাটা শূন্য হয়ে
দৃষ্টি ছোয়ায় ঘন বরষা।
নিকেতন মোর অকূল পাথারে
রয়েছি আমি স্বপ্ন কান্তারে,
এিদসালয় সুখের ছোয়ায়
নিয়ে ভাবি তাই শুধু আগারে।
শুভ্র সকালে মিহির ছোয়ায়
দিগন্ত হারায় ফেনিল দোলায়
অন্ন তনয়া লালসা লয়ে
বিহোমিত হয় শোভামান আলয়ে।
পত্র শাখায় সমীর প্রবেশ
বিপিন ছড়ায় এিবদ আবেশ,
সবুজ শাখার বসন্ত দূতে
ধ্বণিত হয় সুবর্ন আবেশ।
এ যে মোর প্রিয় গ্রাম
যেখানে ছড়ায় কেলাপী পেখম,
মেঘলা দিবায় আত্নহারায়
তেমনি সুখের এই দিবালয়।

Word types

Dictionaries (BBC): Read the clue, search the dictionary then label the box correctly.

Saturday, 28 August 2010

Bangla poem of Razia Sultana Sonia


  E-mail : sonia.chdsr@yahoo.com
অদূশ্য স্বপ্ন
স্বপ্নটা যখন একটা জ্বলন্ত
শিখাকে উৎসর্গ করে,
তখন তো তার ছোয়া লাগবেই
সত্যি!
এক দুঃসাহসিক আত্নপ্রত্যয়
আর এই সাহসিকতার ইন্দ্রজালে
রূদ্ধ প্রেমটাকে তোমার জন্যই
উৎসর্গ করেছিলাম
তুমি বোঝ নি, তুমি জানো নি
হয়তো আর কখনো জানবেও না
আমি জানতাম,
স্বপ্ন!
সেতো শুধু স্বপ্ন
আর শিখার সংষ্পর্শ?
সেতো স্বপ্ন ভঙ্গের অনৱরায়
তবুও স্বপ্ন!
আলোক প্রভায়
আমি জানতাম,
তুমি স্বপ্ন,
তুমি অলীক ,
তুমি কাল্পনিক,
কারণ তুমি,
প্রবাহের স্রোতে ভেসে আসা এক সুর
হতে পার তুমি চন্দ্র তারা
কিংবা কারো ছন্দের আভা
হয়তোবা কারো গতিময়তা
কিন্তু
তুমি স্বকীয়ার আবেসে রূদ্ধ]
বদ্ধ দুয়ারে তাই,
আমার স্বপ্ন মায়া কড়াঘাত করেনি
জীবনটা ধ্বনিত বেগের মত চলমান
কখনো হয়তো থেমে থাকে নি,
হয়তো থাকবে না
তবুও এক নিতর, নিঃশব্দ চাঁদনী রাতে
হয়তো তুমি আবার স্বপ্নে ধরা দেবে
হয়তো এটা আমার এক
দুঃসাহসিক বেদনা।।


কিছু স্মৃতি
কিছু স্মৃতির পটভূমি,
হ্নদয়ে উগ্র চেতনাকে যখন
তীব্র আক্রোশে হাতছানি দেয়,
তখন,
সমসৱ সুখ আমার কাছে
মনে হয় যেন বেলাভূমি
কিছু স্মৃতির কথা,
সুপ্ত বাসনাকে সর্ঙ্গে নিয়ে যখন
আঘাত পদদলিত করে চলমান
তখন,
সমসৱ স্বপ্নœ আমার কাছে
হ্নদয়ে সৃষ্ট এক অসহ্য ব্যাথা
কিছু পড়নৱ বিকেল,
সাতটি রঙ্গের আভার নিচে যখন
তুমি আর আমি লীলাময়ী
তখন,
সমস্ত দুঃখ যেন আমার কাছে
এক প্রথম সকাল
কিছু সৃষ্ট চেতনা,
সুরের মোহে যখন দুটি পথ
দুদিকে চলমান
তখন,
সমসৱ আশা যেন ভেঙে চূড়ে
গড়ে দেয় এক কষ্টের আল্পনা
কিছু দৃষ্টি বিনিময় ,
সমসৱ পৃথিবী যখন
একটি বিন্দুতে দণ্ডায়মান
তখন,
আলোর এক অন্ধকার আভা
হ্নদয়কে কেও সুখালয়
তবুও
কিছু কঠিন বাসৱব
সামনে যখন প্রাচীর স্বরূপ
তখনতো
দুটি হ্নদয় পথ হারাতে প্রস্তুত

জানা-অজানা
বৃষ্টির ফোটার মত
জীবন থেকে সমসৱ সুখ কবে যে
পাতালে মিশেছিল জানি না
ঝরা ফুলের মত
জীবন থেকে সমসৱ পাপড়ি কবে যে
কে হরণ করেছিল জানি না

ছেড়া পাতার মত
নিজ গৃহে পতিত থেকে কবে যে
সৌন্দর্য টুকু হারিয়েছিলাম জানি না
খালি কলমের মত
প্রয়োজন শেষে কবে যে কে
ডাস্টবিনে ফেলেদিয়েছিল জানি না
জীবনের সবটুকু হারিয়ে যখন
ধ্বনিত বেগের মত চলমান
হঠাৎ
কেন যেন মনে হলো
আমি জানি, আমি জানি
তুমি আমার আশার আলো


অভিসারী জীবনসঙ্গী
একাকি স্নিগ্ধ গোধূলী লগনে
বসে আছি এক মোহনার তীরে,
তরঙ্গের খেলা আর বহমান প্রবাহ
মনে হয় যেন আনন্দের প্রচুর্য
এমনি এক প্রকৃতি লীলায়
সূর্য যখন অস্ত যায়,
পশ্চিম আকাশে বিদায়ের ধ্বনি বাজিয়ে
চারদিকে মেঘকে দূরে সরিয়ে
আকাশটা রক্তে রঞ্জিত করে
মনে পরে সেই সুর সেই ধ্বনি
আমার অভীসারী জীবনসঙ্গীনী
আমি তো তোমায় ভুলি নি
আজ তুমি কই?
তোমারে খুজিতে বের হয়েছি তাই
তুমি কোথায় আমার জীবনসঙ্গী

Pageviews last month